• দেশজুড়ে
  • ছাত্রীর মাথা ফাটানো সেই প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত: সিসিটিভি ফুটেজেছাত্রীর মাথা ফাটানো সেই প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত: সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার পরই পদক্ষেপ

ছাত্রীর মাথা ফাটানো সেই প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত: সিসিটিভি ফুটেজেছাত্রীর মাথা ফাটানো সেই প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত: সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার পরই পদক্ষেপ

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
ছাত্রীর মাথা ফাটানো সেই প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত: সিসিটিভি ফুটেজেছাত্রীর মাথা ফাটানো সেই প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত: সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার পরই পদক্ষেপ

জগন্নাথপুরের কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফরুক আহমেদকে পেশাগত অসদাচরণের দায়ে বরখাস্ত করল Ad-hoc Committee; সমালোচনার মুখে ঘটনার CCTV Footage।

প্রকাশ্যে অমানবিকতা, কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ

পেশাগত অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সুনামগঞ্জের কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরুক আহমেদকে বরখাস্ত; রক্ত ঝরার পরেও ছাত্রীকে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা

শ্রেণিকক্ষে বর্বরতা: ডাস্টার দিয়ে ছাত্রীর মাথা ফাটানো

শিক্ষকতার মতো মহান পেশার প্রতি দৃশ্যে তীব্র সমালোচনা।

অমানবিক শাস্তি: প্রধান শিক্ষকের হাতে ছাত্রীর মাথা ফাটল চরম অবমাননা ঘটিয়েছেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরুক আহমেদ। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় ডাস্টার দিয়ে এক ছাত্রীকে এমন নির্মমভাবে আঘাত করেছেন যে, তার মাথা ফেটে রক্ত

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরুক আহমেদের বিরুদ্ধে উঠেছে এক ভয়াবহ অমানবিক শাস্তির অভিযোগ। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় ডাস্টার দিয়ে আঘাত করে এক শিক্ষার্থীর মাথা ফাটানোর ঝরতে শুরু করে।

এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে। গুরুতর আহত ওই শিক্ষার্থীকে সঙ্গে সঙ্গেই জগন্নাথপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (Health Complex) ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরই সহপাঠীরা ক্লাস অভিযোগে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত (Suspended) করা হয়েছে।

গত সোমবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। আঘাতের ফলে আহত ওই শিক্ষার্থীকে সঙ্গে সঙ্গেই জগন্নাথপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (Health Complex) ভর্তি বর্জন করে বিক্ষোভে (Protest) নামলে অভিযুক্ত শিক্ষক ফরুক আহমেদকে প্রথমে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: অ্যাডহক কমিটির Suspension

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির অ্যাডহ করা হয়। এই ঘটনার পর বিদ্যালয়ের অন্যান্য সহপাঠীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভে নামলে অভিযুক্ত শিক্ষক ফরুক আহমেদকে প্রথমে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি (Relief) দেওয়া হয়।

সিসিটিভি ফুটেজে প্রকাশক কমিটির (Ad-hoc Committee) সভায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ফরুক আহমেদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত (Suspension) করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (`UNO: শিক্ষকতার পেশাগত অসদাচরণ

এই ঘটনার একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ (CCTV Footage) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (Social Media) ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ফুটেজে শিক্ষক ফরুক আহমেদের অমানবিক আচরণ) বরকত উল্লাহ সই করা এক চিঠিতে এইOfficial Order` জারি করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে: “গত ৯ নভেম্বর শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় শিক্ষার্থীকে ডাস্টার দিয়ে আঘাত করার মাধ্যমে আপনি স্পষ্ট ধরা পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, গত রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে শ্রেণিকক্ষ ও বাইরে শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি করছিল। এ সময় প্রধান শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের শাসন করতে শুরু করে কান ধরে পেশাগত অসদাচরণ (Professional Misconduct) ও প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। আপনার নিয়োগপত্রের ১, ৭ ও ৯ নম্বর শর্ত অনুযায়ী আপনাকে চাকরি থেকে সামরিক বরখাস্ত করা হলো।”

দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তিনি সামনের টেবিলে বসে থাকা এক ছাত্রীকে ডাস্টার দিয়ে আঘাত করতে থাকেন। আঘাতে ছাত্রীর মাথা ফেটে রক্ত (Bleeding) ঝরতে শুরু করে। আরও মর্মান্তিক বিষয় অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা (Disciplinary Action) নেওয়ার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অফিস আদেশে এও বলা হয়েছে যে, সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে ফারুক আহমেদ বিধি মোতাবেক খ হলো, আঘাতের পর প্রধান শিক্ষক টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে দেন, কিন্তু তখনো শিক্ষার্থীকে কান ছাড়তে দেননি। পরে অন্য একজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে ক্লাসের মেঝেতে পড়ে থাকা রক্ত মুছে ফেলা হয়

সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রশাসনের তদন্ত

গত বুধবার (১২ নভেম্বর) Online News Platform-এ ‘ডাস্টার দিয়ে পিটিয়ে ছাত্রীকে রক্তাক্ত করলেন প্রধান শিক্ষক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দ্রুত আমলে নেয়।

অ্যাডহক কমিটির কঠোর সিদ্ধান্ত: চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির অ্যাডহক কমিটির (Ad-hoc Committee) সভায় এই বিষয়ে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। একই সঙ্গে, এই ঘটনার সিসি ক্যামেরা (CCTV) ফুটেজ Social Media Platform-এ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা (Mass Criticism) শুরু হয়। এই ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষক ক্লাসে প্রবেশ (Disciplinary Action) নেওয়ার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) বরকত উল্লাহ সই করা এক চিঠিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে করে শিক্ষার্থীদের শাসন করতে শুরু করেন এবং কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। এরপর তিনি সামনের টেবিলে বসে থাকা এক ছাত্রীকে ডাস্টার দিয়ে আঘাত করলে মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। এমনকি, শিক্ষক পরে নিজে টিস্যু দিয়ে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ৯ নভেম্বর শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় শিক্ষার্থীকে ডাস্টার দিয়ে আঘাত করার মাধ্যমে তিনি ‘পেশাগত অসদাচরণ’ (Professional Misconduct) ও ‘প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ভঙ্গ’ করেছেন রক্ত মুছে দিলেও শিক্ষার্থীকে কান ছাড়তে দেননি এবং অন্য এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে ক্লাসের মেঝেতে পড়ে থাকা রক্তও মুছে ফেলেন। এই Viral Video-র পরই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে এবং স্থানীয় প্রশাসন তদন্তে (। তাঁর নিয়োগপত্রের ১, ৭ ও ৯ নম্বর শর্ত অনুযায়ী তাঁকে চাকরি থেকে সামরিক বরখাস্ত করা হলো। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের (নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভInvestigation) নামে।

আহত ছাত্রীর বাবা মুজিবুর রহমান বলেন, “আমার মেয়েকে অমানবিকভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদ। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।” তিনি বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে (School Management Committee) বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪ এর ৫৩(৭) অনুচ্ছেদের আলোকে তাঁকে এই পদ থেকে সাময়িক বরখাস্তের (Temporary Suspension) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে জানিয়েছিলেন বলেও নিশ্চিত করেন।