• দেশজুড়ে
  • সরকার উৎখাতের ছক ও মহাসড়ক অচল: ভাঙ্গায় ৫ শতাধিক আ.লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহের মামলা

সরকার উৎখাতের ছক ও মহাসড়ক অচল: ভাঙ্গায় ৫ শতাধিক আ.লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহের মামলা

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
সরকার উৎখাতের ছক ও মহাসড়ক অচল: ভাঙ্গায় ৫ শতাধিক আ.লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহের মামলা

‘লকডাউন’ ও ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক নাশকতা এবং জনমনে আতঙ্ক তৈরির অভিযোগ; পুলিশি অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার ২২, এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে মহাসড়ক অবরোধ, রাষ্ট্রবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র এবং সরকার উৎখাতের চেষ্টার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। দলটির ডাকা ‘লকডাউন’ ও ‘শাটডাউন’

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে ভয়াবহ অস্থিতিশীলতা তৈরিডাউন’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জেরে ৫ শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকের বিরুদ্ধে চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক অবরোধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর হয়েছে। পুলিশের বিশেষ Drive-এ এখন পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায়। এই রায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা তাৎক্ষণিকভাবে ‘লকডাউন’ কর্মসূচির মামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

**ট্রাইব্যুনালের ডাক দেয়।

অভিযোগ রয়েছে, এই কর্মসূচির নামে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ Highway বা মহাসড়ক রায় ও মহাসড়কে অরাজকতা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত গত ১৩ নভেম্বর। পুলিশগুলোর একাধিক পয়েন্টে পরিকল্পিতভাবে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়। এ সময় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানো হয়, যা জনমনে ভীতি সঞ্চার করে। পুলিশ বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এসব কর্মকাণ্ড কেবল জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (International Crimes Tribunal) থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে— আইনশৃঙ্খলার অবনতিই নয়, বরং এটি ছিল সরকার উৎখাত এবং রাষ্ট্রবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।এমন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ফরিদপুরের ভাঙ্গা। এই রায়কে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা তাৎক্ষণিকভাবে ‘লকডাউন’ কর্মসূচির ডাক দেয়।

অভিযোগ রয়েছে, এই কর্মসূচির নামে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি ও পুলিশি তৎপরতা

১৩ নভেম্বরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই, দ্বিতীয় দফায় ১৬ ও ১৭ নভেম্বর ‘শাটডাউন কর্মসূচি’ ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। তারা ভাঙ্গা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ Highway বা মহাসড়কগুলোর একাধিক পয়েন্টে অবস্থান নেয় এবং যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং সম্ভাব্য নাশকতা এড়াতে ভাঙ্গায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে জিরবিহীন নাশকতা চালায়। পুলিশের এজাহার অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ড কেবল জনদুর্ভোগ সৃষ্টি নয়, বরং এটি ছিলLaw Enforcement Agencies। টানা তিন দিন ধরে সহস্রাধিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করে এলাকার রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সরকার উৎখাতের একটি পরিকল্পিত ছক।

‘Security বা নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা হয়। পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে এই দুদিন বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এাউন’ ও কঠোর নিরাপত্তা বলয় প্রথম দফার উত্তেজনা প্রশমিত না হতেই, দ্বিতীয় দফায় ১৬ ও ১৭ড়ানো সম্ভব হলেও, আগের সহিংসতার জেরে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ।

মামলার বিবরণ ও গ্রেপ্তার অভিযান নভেম্বর ‘শাটডাউন কর্মসূচি’ ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। এই কর্মসূচিকে ঘিরে যাতে কোনো প্রকার Security Breach বা অপ্র

গত ১৬ নভেম্বর পুলিশ বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় চারটি মামলা দায়ের করে। মামলার এজাহারে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন Zero Tolerance নীতি গ্রহণ করে। টানা তিন দিন ভাঙ্গাজুড়েলীগের ১৭৭ জন নেতাকর্মীর নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি সহস্রাধিক Law Enforcement Agency-র সদস্য মোতায়েন ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ের করা হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, “নিষিদ্ধ ঘোষিত কর্মসূ কারণে বড় ধরনের সহিংসতা এড়ানো সম্ভব হলেও, জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

সহিংসতা ও অবরোধের ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ১৬ নভেম্বর পুলিশ বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও দণ্ডবিধির হবে না। ইতিমধ্যে একশ’র বেশি সুনির্দিষ্ট সমর্থক এবং অজ্ঞাতনামা অনেকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। আমাদের সংশ্লিষ্ট ধারায় চারটি মামলা দায়ের করে। মামলার নথিপত্রে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের ১৭৭ জন নেতাকর্মOperation অব্যাহত রয়েছে এবং এ পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। বাকি পলাতক আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায়ীর নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে ভাঙ্গা ও এর আশেপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবংভাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন এ বিষয়ে বলেন, “নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের শতাধিক সমর্থককে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনাম গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

Tags: bangladesh police crime news political unrest ami league lockdown case road blockade court verdict security update