• দেশজুড়ে
  • চলন্ত একতা এক্সপ্রেসে পপকর্ন বিক্রেতাকে গলা কেটে হত্যা: ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের, গুরুতর আহত আরও একজন

চলন্ত একতা এক্সপ্রেসে পপকর্ন বিক্রেতাকে গলা কেটে হত্যা: ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের, গুরুতর আহত আরও একজন

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
চলন্ত একতা এক্সপ্রেসে পপকর্ন বিক্রেতাকে গলা কেটে হত্যা: ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের, গুরুতর আহত আরও একজন

নারকেল ও পপকর্ন বিক্রি নিয়ে বিরোধ; দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ থেকে পীরগঞ্জ অভিমুখে ট্রেনে নৃশংস হত্যাকাণ্ড।

আন্তঃনগর ট্রেনে নারকেল ও পপকর্ন বিক্রির ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের (Business Conflict) জেরে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আল আমিন নামে এক পপকর্ন বিক্রেতাকে চলন্ত ট্রেনেই গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মিলন নামে আরও এক হকার গুরুতর আহত হয়েছেন। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে ট্রেনটি পীরগঞ্জ রেল স্টেশনে পৌঁছালে রক্তাক্ত অবস্থায় আহত দুইজনকে ট্রেন থেকে নামিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আল আমীন কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার চড়বথুয়াতুলি গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে।

ট্রেনে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব: প্রতিপক্ষের নৃশংসতা

নিহত আল আমিনের চাচাতো ভাই মাহবুবুর রহমান জানান, ট্রেনে নারিকেল ও পপকর্ন বিক্রি নিয়ে আকাশ, সুজন ও কুদরতের সঙ্গে আল আমিনের বেশ কয়েক দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সোমবার রাতে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ স্টেশন থেকে পীরগঞ্জ অভিমুখে ছাড়ার পর চলন্ত ট্রেনেই প্রতিপক্ষরা ছুরি দিয়ে আল আমিনের গলা কেটে দেয়। এ সময় মিলন নামে আরও এক হকার আহত হন।

পীরগঞ্জ রেল স্টেশনে রক্তাক্ত অবস্থায় উভয়কে ট্রেন থেকে নামিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মিলন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন (Hospitalized) রয়েছেন। তাঁর বাড়িও কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার চড়বথুয়াতুলি গ্রামে।

রেলওয়ে পুলিশের তদন্ত

পীরগঞ্জ রেল স্টেশনের সহকারী মাস্টার আব্দুল আজিজ জানান, স্টেশনে লোকজন গুরুতর অবস্থায় দুই ব্যক্তিকে ট্রেন থেকে নামায় এবং হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে অবহিত করেছেন।

পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (OC) তাজুল ইসলাম আল আমিনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পীরগঞ্জ রেল স্টেশন এবং হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে এবং রেলওয়ে পুলিশই পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Tags: ekota express train murder popcorn vendor business conflict pirganj station al amin railway police stabbing kurigram homicide