• দেশজুড়ে
  • পুলিশ হবে সৎ ও সাধারণ মানুষের বন্ধু, খারাপের দৃঢ় শত্রু: যোগদানেই কড়া বার্তা দিলেন যশোরের নবাগত এসপি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম

পুলিশ হবে সৎ ও সাধারণ মানুষের বন্ধু, খারাপের দৃঢ় শত্রু: যোগদানেই কড়া বার্তা দিলেন যশোরের নবাগত এসপি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
পুলিশ হবে সৎ ও সাধারণ মানুষের বন্ধু, খারাপের দৃঢ় শত্রু: যোগদানেই কড়া বার্তা দিলেন যশোরের নবাগত এসপি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম

বিশেষ কল্যাণ সভায় পুলিশ সদস্যদের মানবিক আচরণের ওপর জোর দিলেন পিপিএম সেবা পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তা; আগামী নির্বাচনকে পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যায়িত।

নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান উপলক্ষে বিশেষ কল্যাণ সভা

জেলা পুলিশ যশোরের নবাগত পুলিশ সুপার (Superintendent of Police) জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, পিপিএম সেবা-এর যোগদান উপলক্ষে একটি বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি.) সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিশেষ কল্যাণ সভার শুরুতেই যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব আবুল বাশার নবাগত পুলিশ সুপারকে যশোর জেলা পুলিশে যোগদানের জন্য শুভেচ্ছা জানান। এরপর তিনি সভার সঞ্চালনা করেন।

কল্যাণ সভায় উপস্থিত সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ তাদের সার্বিক সুবিধা-অসুবিধা নবাগত পুলিশ সুপারের কাছে উপস্থাপন করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে কর্মীদের প্রস্তাবিত আবেদনগুলো শোনেন এবং সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।

সৎ ও মানবিক আচরণের ওপর জোর

কর্মী-সদস্যদের আবেদন শোনার পর নবাগত পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম তার বক্তব্যে পেশাগত এথিক্স (Ethics) ও কমিউনিটি রিলেশনশিপ (Community Relationship)-এর ওপর বিশেষ জোর দেন।

তিনি বলেন, "পুলিশ চাইলেই সবার বন্ধু হয়ে যেতে পারে না—পুলিশ হবে সৎ, ভালো ও সাধারণ মানুষের বন্ধু, আর সমাজের খারাপ মানুষের দৃঢ় শত্রু।"

থানায় আগত সেবা প্রত্যাশীদের প্রতি মানবিক আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "থানায় যারা সেবা নিতে আসেন, হয়তো সব সময় তাদের চাহিদামতো সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না, কিন্তু সদাচরণ ও সম্মানজনক ব্যবহার প্রদানের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি সেবা প্রত্যাশী নাগরিকের সাথে মানবিক আচরণই পুলিশের প্রকৃত শক্তি।"

সহকর্মীর পাশে থাকা ও মানবিক দায়িত্ব`

পেশাগত দায়িত্ব পালনের বাইরে সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্বও তুলে ধরেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, "একজন পুলিশ সদস্য শুধু সহকর্মী নন—তিনি একটি পরিবারের অংশ। তাই সহকর্মী এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর রাখা, তাদের মানসিক, সামাজিক ও আর্থিক পরিস্থিতিতে পাশে দাঁড়ানো—এগুলোও পুলিশের মৌলিক মানবিক দায়িত্বের অংশ।"

নির্বাচন চ্যালেঞ্জ: অবাধ ও নিরপেক্ষতার প্রত্যাশা

পুলিশ সুপার মহোদয় তার বক্তব্যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে পুলিশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে—পুলিশের পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে আগামী নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ। দেশের মানুষ যেন সেই নির্বাচনকে আস্থা ও বিশ্বাসের সাথে গ্রহণ করে—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।

এসময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব রুহুল আমিন, সকল সার্কেল কর্মকর্তাগণ, ডাক্তার পুলিশ হাসপাতাল, আরআই পুলিশ লাইন্স, ডিআইও-১, সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই প্রশাসন সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।

Tags: general election human behaviour police super syed rafiqul islam jessore police ppm seba police welfare professionalism