ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের মানুষ এখনও সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেননি। বর্গিরা চলে যাওয়ার পরও দেশের ভেতর যারা সুযোগ পেয়েছে, তারা জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। দেশে দেশে বেগম পাড়া বানিয়েছে, কেউ পালাতে গিয়ে খালেবিলে লুকিয়েছে, কেউ সিলেটবাসীর কাছে কলাপাতায় ধরা খেয়েছে।’
ফ্যাসিস্টরা দেশ থেকে পালালেও ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনও কাটেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, ইসলামী ঐক্যজোটের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম চানসহ আট দলের কেন্দ্রীয় ও জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ শুরুর আগেই সকাল থেকে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে মাঠে এসে জড়ো হন। সকাল থেকে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ছিল ব্যাপক জনসমাগম, স্লোগান আর ব্যানার-ফেস্টুনে মুখরিত পরিবেশ।
একদল অপকর্ম-চাঁদাবাজ-দখলদারিত্ব করেছে, এখন আরেকদল অপকর্মের নতুন দায়িত্ব নিয়েছে। এখন শুনতে পাচ্ছি, এতদিন নির্বাচনের কথা বলা দল ভিন্ন সুরে কথা বলছে।’
আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সিলেটে ইসলামী ও সমমনা আট দলের বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দুপুর ১২টায় নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে এ সমাবেশ শুরু হয়। খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এতে সভাপতিত্ব করেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণসহ পাঁচ দাবিতে একসঙ্গে কর্মসূচি পালন করছে ৮ দল। এরই অংশ হিসেবে চলছে বিভাগীয় সমাবেশ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগর শাখার নায়েবে আমির ড. নুরুল ইসলাম বাবুলের সঞ্চালনায় সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির ফখরুল ইসলাম।