চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে বাসায় যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা। এই সাক্ষাৎ দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে এক ধরনের 'সৌজন্যমূলক' বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) সকালে জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদল এরশাদ উল্লাহর বাসভবনে গিয়ে তাঁর চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
জামায়াত প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি
গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার বাসায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় এবং মহানগর পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা। প্রতিনিধিদলে যারা ছিলেন:
মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরের আমির।
অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার ও মোহাম্মদ উল্লাহ: কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও মহানগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি।
অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী: মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক।
মুহাম্মদ ইসমাঈল: মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ও চান্দগাঁও থানার আমির।
মাহবুবুল হাসান রুমী: পাঁচলাইশ থানার আমির।
আজাদ চৌধুরী: চান্দগাঁও থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি।
জামায়াত নেতারা এরশাদ উল্লাহর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাঁর বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত হন। এসময় বিএনপি নেতা জাফর আহমদ ও ইমাদ উল্লাহ-সহ স্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও, এই ধরনের কঠিন পরিস্থিতিতে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো এবং একজন প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় সমবেদনা জানানো রাজনৈতিক ঐক্যের একটি ইতিবাচক দিক। এই সাক্ষাৎটি এমন এক সময়ে হলো, যখন দেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত। গুলিবিদ্ধ এরশাদ উল্লাহর এই অসুস্থতা নির্বাচনী পরিবেশের উপরও প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।