গাড়ির মালিকের বক্তব্য
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে বুধবার নুরুজ্জামান নোমানীকে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানি চলাকালে আসামি নুরুজ্জামান আদালতকে বলেন, 'আমি রেন্ট কারের ব্যবসা করি। ৯ মাস আগে আসামি ফয়সাল করিমের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়। তবে ঘটনার তিন মাস আগে থেকে তার সঙ্গে আমার সরাসরি দেখা হয়নি। তিনি হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে গাড়ি ভাড়া নিতেন এবং বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করতেন। তিনি সাটুরিয়া ও আলাউদ্দিন পার্কে যেতেন।'
নুরুজ্জামান আরও জানান, ঘটনার দিন তার নিজের কোনো গাড়ি ছিল না। তাই তিনি তার বন্ধু সুমনের গাড়ি ঠিক করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, 'গাড়িটি মৎস্য ভবনের সামনে যেতে বলেন। পরে আবার কল দিয়ে আগারগাঁও বিএনপি বাজারে যেতে বলেন। আমি তো গাড়ির ব্যবসা করি। গাড়ি ভাড়া নিয়ে তারা কী করছে, সেটা তো আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।'
আদালতের নির্দেশনা
আসামি নুরুজ্জামানের বক্তব্য শোনার পর বিচারক তাকে বলেন, 'বিষয়গুলো আপনি জানেন। রিমান্ড কোনো শাস্তি না। আপনি আরও সাহায্য করেন।' এরপর বিচারক তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করার আদেশ দেন। তবে এ সময় রিমান্ড শুনানিতে আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।