ভারতীয় আশ্রয় ও অর্থায়নের অভিযোগ হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ভারত আমাদের দেশের সন্ত্রাসগুলোকে শুধু আশ্রয়-প্রশ্রয়ই দিচ্ছে না, অর্থ ও ট্রেনিং দিয়ে বাংলাদেশে ছেড়ে দিচ্ছে। ফলে তারা দেশে এসে একের পর এক অপরাধ সংঘটিত করছে। তিনি অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে বারবার বলা হলেও ভারত এসব বন্ধ করেনি।
ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্কের দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ন্যায্যতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। তিনি সীমান্তের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, “আপনি সীমান্তে আমাদের দেখলে গুলি করবেন, আমরাও বসে থাকব না। এখন থেকে তোমরা সীমান্তে গুলি করলে, আমরা গুলি করতে না পারলেও ঢিলতো মারতে পারব”।
আত্মনির্ভরশীলতার প্রয়োজনীয়তা ও সাংস্কৃতিক প্রভাব হাসনাত আরও বলেন, নাটক-সিনেমার মাধ্যমে ভারতীয় সংস্কৃতি আমাদের দেশে প্রবেশ করিয়ে বোঝানো হচ্ছে যেন আমরা ভারতের ওপর নির্ভরশীল থাকি। কিন্তু এখন সময় এসেছে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার। তিনি পূর্বের প্রজন্মের রাজনীতিবিদের সমালোচনা করে বলেন, তারা গোপনে যোগাযোগ রাখে বলে লড়াই করবে না।
'স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক' এবং 'ষড়যন্ত্রে জঙ্গি তকমা' হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, আওয়ামী লীগের সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল 'স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক'-এর মতো। তিনি ভারতীয় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বলেন, এ দেশের মুসলমানদের বছরের পর বছর ধরে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যারা এর বিরোধিতা করেছে, তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, তাদের একজন সহকর্মী (ভাই হাদি) এই সিরিয়ালে পড়েছেন এবং তাকেও টার্গেট করা হয়েছে। তবে তিনি বলেন, “আমরা মারা গেলে কি হবে? এ রকম অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে যাবে”।
এ সময় পথসভায় দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।