শহীদ ওসমান হাদি, যিনি আধিপত্যবিরোধী আন্দোলন, যুব সংগঠন ও ২০২৪ সালের ছাত্রলীগ মূলক অভিযানসমূহে সক্রীয় ভূমিকা রেখেছেন এবং সম্প্রতি ঢাকা পুরানা পল্টনে ভোটপ্রচারের সময় বন্দুকধারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন, তিনি পরে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ পর্যন্ত জীবন হারান।
দেশব্যাপী তার আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে তা ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ছাত্র, রাজনৈতিক সংগঠন, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষ অনেকে তাকে আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের অগ্রভাগে থাকা বিপ্লবী নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং তার অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
উখিয়া শহীদ মিনারে গায়েবানা জানাজা-তে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, ছাত্রছাত্রীরা এবং সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত অনেকেই বলেন, শহীদ ওসমান হাদির সংগ্রাম দেশীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধিকার রক্ষার প্রতীক হয়ে থাকবে এবং তাঁর আদর্শ ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
জানাজা শেষে বিভিন্ন সংগঠন দ্বারা শান্তিপূর্ণ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে একই রকম সমাবেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তাঁকে স্মরণ করে নেতারা বলেন, “এরকম বিপ্লবী নেতা ওসমান হাদির আত্মত্যাগ শুধু এক সংগঠনের নয়, একটি সার্বিক আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।