রবিবার রাজধানীর বনানীতে গণমাধ্যম সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এই বাংলাদেশে মবোক্রেসি দেখতে চাই না।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকের অনেক আদর্শে বিশ্বাস থাকতে পারে। কিন্তু দেশের প্রশ্নে যেন নিরপেক্ষ না থাকি, দেশের পক্ষে থাকি। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে গণতন্ত্রের খুঁটিটা যেন মজবুত হয়, সেই দিকে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য বিএনপি সবার সহযোগিতা চায়, কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য সহযোগিতা নয়। অতীত ভুলে যেতে চাই, তবে ফ্যাসিস্ট আমল স্মরণে রাখতে চাই।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে দাঁড় করাতে হবে যাতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করে ‘ তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘জনগণ আশা করছে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের খুঁটিটা যেন শক্তিশালী হয়।
তিনি বাধ্য হয়ে দীর্ঘ ১৮ বছর কষ্টকর নির্বাসিত জীবন যাপন করেছেন। তার এই প্রত্যাবর্তনকে আমরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য কাজে লাগাতে চাই। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’