মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে আলোচনা
প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার বাণিজ্য ও শুল্ক আলোচনা, আসন্ন সাধারণ নির্বাচন, দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং সম্প্রতি নিহত তরুণ রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শুল্ক আলোচনায় নেতৃত্ব ও অভিনন্দন
ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, যিনি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্বও পালন করছেন, তিনি সাম্প্রতিক শুল্ক আলোচনায় সফল নেতৃত্বের জন্য ড. ইউনূসকে অভিনন্দন জানান। এই আলোচনার ফলে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর মার্কিন পারস্পরিক শুল্ক ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল। মার্কিন বিশেষ দূত শহীদ ওসমান হাদির বৃহৎ জানাজা নিয়েও আলোচনা করেন।
নির্বাচনি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা
নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শাসনের সমর্থকরা নির্বাচনি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার জন্য কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে এবং তাদের পলাতক নেতা সহিংসতা উসকে দিচ্ছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, 'অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।'
অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যয়
ড. ইউনূস আরও বলেন, 'নির্বাচনের আগে আমাদের প্রায় ৫০ দিন সময় রয়েছে। আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। আমরা এটাকে অসাধারণ করে তুলতে চাই।' এ সময় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।