চুক্তি স্বাক্ষর ও অংশগ্রহণকারীরা
ইবনে সিনা ট্রাস্টের এজিএম অ্যান্ড হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট নিয়াজ মাখদুম শিবলী এবং সিএমজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সিএমজেএফ সভাপতি এস এম গোলাম সামদানী ভূইয়া, সহ-সভাপতি বাবুল বর্মণ, অর্থ সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য জুনায়েদ শিশির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইবনে সিনা মালিবাগ শাখার ম্যানেজার (অ্যাডমিন) অ্যান্ড ইনচার্জ কাজী মো. মহিউদ্দীন কাইয়্যুম, ট্রাস্টের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের করপোরেট রিজিওনাল ইনচার্জ মোহাম্মদ মাসুদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার হাবিবুল্লাহ মারুফ, আবু আবদুল্লাহ রাসেল ও করপোরেট অফিসার হাছনুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকরা জাতির বিবেক: ইবনে সিনা ট্রাস্ট
ইবনে সিনা ট্রাস্টের এজিএম অ্যান্ড হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট নিয়াজ মাখদুম শিবলী বলেন, সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক। বিশেষ করে অর্থনীতি নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের পেশাদারিত্বের ওপর দেশের বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানবতার সেবা করাই ইবনে সিনা ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য। বর্তমানে গোটা দেশে ২৭টি শাখা নিয়ে ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিটি শাখায় অত্যাধুনিক মেশিনারি ব্যবহার করা হয়।
গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকলে সাধারণ মানুষ ইবনে সিনার স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাবেন বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিলে সেবার মান আরও বাড়ানো সম্ভব।
সিএমজেএফের প্রত্যাশা
সিএমজেএফ সভাপতি এস এম গোলাম সামদানী ভূইয়া বলেন, ইবনে সিনা দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য খাতে বিভিন্নভাবে অবদান রেখে চলেছে। সিএমজেএফ এমন একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পেরে আনন্দিত। একই সঙ্গে তিনি ইবনে সিনার স্বাস্থ্যসেবাকে আরও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
সিএমজেএফ সাধারণ সম্পাদক আবু আলী বলেন, সিএমজেএফ তার সদস্যদের পেশাগত মান উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের সার্বিক কল্যাণেও দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছে। ইবনে সিনার সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এই সেবায় নতুন মাত্রা যুক্ত হলো। তিনি আরও বলেন, দেশে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়া কঠিন এবং বেসরকারি হাসপাতালের ব্যয় বহন করা অনেকের জন্য বেশ কঠিন। এই চুক্তির ফলে সিএমজেএফ সদস্যদের চিকিৎসাপ্রাপ্তি কিছুটা সহজ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি ইবনে সিনা হাসপাতালের সুনাম ধরে রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা বজায় রাখার আহ্বান জানান।