খেজুরের শুল্ক হ্রাসের উদ্দেশ্য
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং রমজান মাসে খেজুরের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য সহনীয় রাখার জন্য এই শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ ডিসেম্বর এ লক্ষ্যে সরকার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
অগ্রিম আয়কর ছাড় বহাল
কাস্টমস ডিউটি কমানোর পাশাপাশি খেজুর আমদানিতে অগ্রিম আয়কর সংক্রান্ত সুবিধাও বহাল রেখেছে সরকার। বিগত বাজেটে আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম আয়কর সংক্রান্ত বিধিমালা সংশোধন করে খেজুরসহ সব ফল আমদানির ওপর প্রযোজ্য অগ্রিম আয়কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছিল। এই ছাড় চলতি বছরেও প্রযোজ্য থাকবে। এর সঙ্গে, গত বছর খেজুর ও অন্যান্য ফল আমদানিতে অগ্রিম আয়করে যে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছিল, তাও এই বছর বহাল রাখা হয়েছে।
বাজার স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে রমজান মাসে বাজারে খেজুরের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে খেজুর কিনতে পারবে। প্রতি বছর রমজান মাসে খেজুরের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়, ফলে এই সময়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর সুযোগ নেয়। শুল্ক কমানোর ফলে আমদানিকারকরা কম খরচে খেজুর আনতে পারবে, যা শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারে দাম কমাতে সহায়তা করবে। এই সুবিধা একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত কার্যকর থাকায়, আমদানিকারকরাও দ্রুত খেজুর আমদানিতে আগ্রহী হবেন।