গ্রেপ্তার ও পরিচয় বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার সদস্য হিসেবেও পরিচিত। ২০২৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি বানারীপাড়া উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে 'কলস' প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ তাকে সলিয়াবাকপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার সংখ্যা ও অভিযোগ গ্রেপ্তার হওয়া এই নেত্রীর বিরুদ্ধে তার স্বামী হত্যা মামলাসহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে। স্বামী হত্যা মামলায় বর্তমানে তিনি জামিনে ছিলেন। বাকি মামলাগুলো অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অভিযোগে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও অর্থদাতা হিসেবে নাম বানারীপাড়া থানা পুলিশ আরও জানায়, সাবিনা ইয়াসমিনের মেয়ে জামাই খালিদ মাহমুদ সোহাগ একজন সক্রিয় ছাত্রলীগ কর্মী এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। সম্প্রতি সময়ে বরিশালের বিভিন্ন স্থানে রাজনীতি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চোরাগুপ্তা মিছিল করে। এসব কর্মসূচিতে অর্থদাতা হিসেবে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের নাম উঠে আসে।
পুলিশের বক্তব্য বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবর রহমান এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী পরিচালিত 'ডেভিল হান্ট ফেজ-২' অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলাজুড়ে অভিযান চলছে। এর ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি আরও উল্লেখ করেন, সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে স্বামী হত্যা মামলা ছাড়াও আরও ৯টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।