কঠোর বিধিনিষেধসমূহ
গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে অনুমতি ছাড়া কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, ডিজে পার্টি, উচ্চ শব্দে গান-বাজনা, নাচ-গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যালি কিংবা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। এই নিষেধাজ্ঞা রাস্তাঘাট, উন্মুক্ত স্থান এমনকি ভবনের ছাদকেও আওতায় এনেছে।
আতশবাজি ও মদের দোকান বন্ধ
নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সাথে, মহানগরের সব বার ও মদের দোকান বন্ধ রাখারও নির্দেশ দিয়েছে সিএমপি।
অস্ত্র বহন ও সমুদ্রসৈকতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
নগরের আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র (যেমন তলোয়ার, বর্শা, ছোরা, লাঠি) কিংবা বিস্ফোরক দ্রব্য বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে থার্টি ফার্স্ট নাইট ও নববর্ষের দিন পতেঙ্গা সী-বিচ ও পারকি সমুদ্রসৈকতে জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা হবে।
বেপরোয়া আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
সিএমপি ঘোষণা করেছে যে বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানো, উচ্চ শব্দে হর্ন বাজানো, মাদকাসক্ত অবস্থায় চলাফেরা, নারী হয়রানি বা ইভটিজিংসহ যেকোনো ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ কমিশনারের বার্তা
সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ জানান, নগরবাসীর নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতেই এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। তিনি বলেন, কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, নির্দেশনা বাস্তবায়নে নগরজুড়ে টহল ও নজরদারি বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীকে আইন মেনে শান্তিপূর্ণভাবে নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে।