চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা এবং ৩৪টি থানা এলাকা নিয়ে মোট ১৬টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরে ৪টি, উত্তরে ৭টি এবং দক্ষিণে ৫টি আসন বিদ্যমান।
দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা
এই ১৬টি আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরের কর্মকর্তারা। ৫টি আসনে বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, ১০টি আসনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং ১টি আসনে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন চৌধুরী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের পাশাপাশি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং থানা নির্বাচন কর্মকর্তারা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন।
আসনভিত্তিক মনোনয়ন দাখিল চিত্র
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আসনভিত্তিক মনোনয়ন দাখিলের সংখ্যায় ভিন্নতা দেখা গেছে:
- চট্টগ্রাম-১ আসনে ১৩ জন সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ১০ জন।
- চট্টগ্রাম-২ আসনে ১৪ জনের মধ্যে ৯ জন।
- চট্টগ্রাম-৩ আসনে ১০ জনের মধ্যে ৫ জন।
- চট্টগ্রাম-৪ আসনে ১১ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন।
- চট্টগ্রাম-৫ আসনে ১৬ জনের মধ্যে ১০ জন।
- চট্টগ্রাম-৬ আসনে ৯ জনের মধ্যে ৫ জন।
- চট্টগ্রাম-৭ আসনে ১১ জনের মধ্যে ৯ জন।
- চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১১ জনের মধ্যে ৯ জন।
- চট্টগ্রাম-৯ আসনে ২৩ জনের মধ্যে ১২ জন।
- চট্টগ্রাম-১০ আসনে ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন।
- চট্টগ্রাম-১১ আসনে ২৩ জনের মধ্যে ১২ জন।
- চট্টগ্রাম-১২ আসনে ১৮ জনের মধ্যে ১১ জন।
- চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ১৫ জনের মধ্যে ৯ জন।
- চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ২১ জনের মধ্যে ৯ জন।
- চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ৮ জনের মধ্যে মাত্র ৩ জন।
- চট্টগ্রাম-১৬ আসনে ১১ জনের মধ্যে ৯ জন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
নির্বাচনী তফসিলের পরবর্তী ধাপ
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তপশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই প্রক্রিয়া চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি। এর পরদিন ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা তাদের প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।