নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উৎসব
নতুন বছর উপলক্ষে ডিএমপি ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো এবং ফানুস ওড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। পাশাপাশি উন্মুক্ত স্থানে যেকোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজনেও ছিল বারণ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক চলার কারণে এই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। তবে রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা—ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও এবং মিরপুরসহ অন্যান্য স্থানে বিকট শব্দে পটকা ফাটানো ও আতশবাজি করতে দেখা যায়। অনেক স্থানে রাত ১১টা থেকেই এই কর্মকাণ্ড শুরু হয়।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও
মিরপুর ৭-এর বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশের ঐ বহুতল ভবনটির একাংশজুড়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বহুতল ভবনটির ছাদে বা কোনো বারান্দায় এসে পড়া আতশবাজির ফুলকি থেকেই এই আগুনের সৃষ্টি হয়। তবে অগ্নিকাণ্ডের মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ডিএমপি’র নির্দেশিকা
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর পাশাপাশি উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা জন-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন যেকোনো কাজ থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিল ডিএমপি। শোক পালনের সময় জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। তবে উৎসবের আমেজ ও উল্লাসে সেই নির্দেশ বহুলাংশে উপেক্ষিত হয়।