দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার নামে কোনও ফৌজদারি মামলা হয়নি। এছাড়া সাড়ে ৪৬ লাখ টাকাও বেশি সম্পদ রয়েছে তার। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির সঙ্গে করা জোটের প্রার্থী হয়েছেন। গণসংহতি আন্দোলনের নিজস্ব মার্কা মাথাল নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্যমতে, জোনায়েদ সাকি একজন প্রকাশক। প্রকাশনা ব্যবসা রয়েছে তার। পেশা, ব্যবসা ও ব্যাংকে সংরক্ষিত সঞ্চয়পত্র থেকে বছরে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৬ টাকা আয় করেন তিনি। বছরে ব্যবসা থেকে আয় করেন ১ লাখ ২০ হাজার ১৪১ টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে বছরে পান ২ হাজার ৭৯৫ টাকা। আর পেশা থেকে আয় ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, জোনায়েদ সাকির মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৬ লাখ ৬২ হাজার ৬০২ টাকা। তার স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৯৩ হাজার ৩০৪ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, বিএ পাস জোনায়েদ সাকির স্ত্রীর নাম তাসলিমা আকতার। তিনি শিক্ষকতা করেন। পাশাপাশি একজন আলোকচিত্রিও। তাসলিমা তার স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া বাবদ বছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে ৩ লাখ ১০ হাজার ৩৬৯ টাকা, পেশা থেকে ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে আট লাখ ২৮ হাজার টাকা আয় করেন। সব মিলিয়ে তার বার্ষিক মোট আয় ২৩ লাখ ৯ হাজার ২১১ টাকা। জোনায়েদ সাকির নামে ১১ একর অকৃষি জমি রয়েছে। এছাড়া একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য তিনি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়েছেন। তাসলিমার নামে ১৮ দশমিক ১৮ পয়েন্ট কৃষিজমি রয়েছে। রয়েছে একটি ফ্ল্যাট ও একটি দোকান।