গুলির ঘটনা ও আটক সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকাল ৪টার দিকে মহেশপুর থেকে নিজ বাড়ি বাগাডাঙ্গা গ্রামে ফেরার পথে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউপির ভাষানপোতা এলাকায় মতিয়ার রহমান মতিকে পেছন দিক থেকে গুলি করে পালিয়ে যায় তরিকুল ইসলাম আকালে ও তার সহযোগী ইব্রাহীম হোসেন ইব্রা। গুলিটি মতির পিঠের পেছন দিক থেকে শরীরে প্রবেশ করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মহেশপুর হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাগাডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইব্রাহীম ওরফে ইব্রাকে আটক করে পুলিশ। আটক ইব্রা ওই গ্রামের টেনা হালসানার ছেলে।
আসল কারণ চোরাচালান ও টাকার ভাগাভাগি পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ মতিয়ার রহমান মতি সীমান্ত এলাকায় সোনা সহ বিভিন্ন চোরাচালানের ঘাট নিয়ন্ত্রণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালান ও টাকার ভাগাভাগি নিয়ে প্রতিপক্ষ তরিকুল ইসলাম আকালের সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরেই সোমবার বিকেলে আকালে ও তার সহযোগী ইব্রাহীম হোসেন ইব্রা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালায়। এর আগেও একবার মতির ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল, তবে সেবারও তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
পুলিশের বক্তব্য মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান সাজু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মতিয়ার রহমান মতি নামের একজনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে এবং গুলি তার পিঠের পেছন দিক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করেছে। তিনি বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
মহেশপুর-কোটচাঁদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফ বলেন, গুলির ঘটনায় ইব্রাহীম ওরফে ইব্রাকে আটক করা হয়েছে। তবে, মূল অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম আকালেকে আটক করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।