অভিযান ও অস্ত্র উদ্ধার বুধবার ভোর সাড়ে ৬টায় রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের থোয়াইংগাকাটা সামারঘোনা এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, রামু থানা পুলিশ ও গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি চৌকস দল নুরুল আহম্মদের মেয়ে জেসমিন সুলতানা রিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। অভিযানে যা উদ্ধার করা হয়—
- একটি দেশীয় তৈরি এলজি।
- দুটি পুরাতন জংধরা পিস্তল।
- ৬টি বড় চায়নিজ রাইফেলের গুলি।
- ৪৯টি ছোট পিস্তলের গুলি।
- ৪টি শটগানের ব্যবহৃত কার্তুজের খোসা।
- একটি বড় বন্দুকের বাঁটের অংশ বিশেষ।
- দুটি লম্বা ধারালো দা, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি বাটন মোবাইল এবং একটি কাটার।
কুখ্যাত ডাকাত দলের সহযোগী রিয়া পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক জেসমিন সুলতানা রিয়াকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্র কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার প্রকাশ 'ল্যাং আবছার' এবং ডাকাত রহিমের বলে তিনি জানিয়েছেন। আটক রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে এই ডাকাত দলের সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
পুলিশের বক্তব্য ও চলমান প্রক্রিয়া এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পলাতক আসামি ডাকাত 'ল্যাং আবছার' ও ডাকাত রহিমকে গ্রেপ্তারের জন্য যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে। আটক আসামির বিরুদ্ধে রামু থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।