• দেশজুড়ে
  • সীতাকুণ্ডে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার, জবাই করার সময় হাতেনাতে ধরা শিকারি

সীতাকুণ্ডে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার, জবাই করার সময় হাতেনাতে ধরা শিকারি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কেওড়া বাগান থেকে ফাঁদ পেতে শিকার করা হরিণের ৩০-৩৫ কেজি মাংসসহ এক শিকারিকে আটক করেছে এলাকাবাসী ও বন বিভাগ।

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
সীতাকুণ্ডে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার, জবাই করার সময় হাতেনাতে ধরা শিকারি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সমুদ্র উপকূলের কেওড়া বাগানে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে জবাই করার সময় মো. সজিব নামের এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের বগাছতর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটককৃত সজিবের কাছ থেকে জবাই করা হরিণের ৩০-৩৫ কেজি ওজনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। তবে হরিণের চামড়া পাওয়া যায়নি।

হরিণ শিকারি আটক ও মাংস উদ্ধার

চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার মো. হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রেঞ্জ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুর ইউনিয়নের বগাছতর এলাকার সমুদ্র উপকূলে কেওড়া বাগানে সিএনজির গিয়ার তারের মাধ্যমে বিশেষ কৌশলে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করছিল সজিব। শিকারের পর হরিণটি জবাই করার সময় এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়ে সে।

পরে এলাকাবাসী বিট কার্যালয়ে খবর দিলে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে হরিণসহ সজিবকে আটক করে। পরবর্তীতে তাকে নগরীর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এই সময় তার কাছ থেকে জবাইকৃত হরিণের প্রায় ৩০-৩৫ কেজি ওজনের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জব্দ করা হয়।

শিকার চক্র ও স্থানীয়দের অভিযোগ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, এত বড় হরিণ একা ধরা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলাকার কিছু চাঁদাবাজ এই ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে এবং তারা বিপুল পরিমাণ হরিণের মাংস নিয়ে গেছে।

বন বিভাগের পদক্ষেপ

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার মো. হাসান জানিয়েছেন, আটককৃত সজিবসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে উদ্ধারকৃত মাংসগুলোতে কেরোসিন তেল ঢেলে রাখা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সেগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হবে। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Tags: chittagong forest department sitakunda wildlife crime deer hunting poaching illegal hunting