উচ্চ আদালত থেকে আপিলে রায় পাওয়ার পর কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছেন। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা তিনি আগেই দিয়েছিলেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) হাইকোর্টের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে হিরো আলম সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, 'আলহামদুলিল্লাহ হাইকোর্ট থেকে আপিলে রায় পেয়েছি মনোনয়ন পত্র জমা নেওয়ার।'
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে মন্তব্য মনোনয়নপত্র জমার সুযোগ পাওয়ার পর নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে গণমাধ্যমকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হিরো আলম। তিনি বলেন, 'হঠাৎ নির্বাচনের পরিবেশ কেন যেন ঠান্ডা হয়ে গেছে। কয়েকদিন আগেও গরম ছিল। আশা রাখছি, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।'
নতুন ভোটারদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'যারা নতুন ভোটার হয়েছে তারা অনেক বছর ভোট দিতে পারে না। এবার যেন যাকে খুশি তাকে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয় সেই প্রত্যাশায় রাখছি।'
নির্বাচন কমিশনে শুনানি ও অন্যান্য প্রার্থীর অবস্থা এর আগে সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন অডিটোরিয়ামে আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন ৪১ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে, ২৩ জনের নামঞ্জুর হয়, ৫ জন অপেক্ষমাণ থাকে এবং একজন প্রত্যাহার করে নেন।
কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে অনেক প্রার্থী নির্বাচনী অবস্থা ভালো বলে দাবি করলেও, অনেকে আবার প্রার্থিতা ফিরে না পেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন। এদিকে, দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে চট্টগ্রাম-৯ আসনের জামায়াত প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হকের আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। একই কারণে শেরপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
মোট ৬৪৫টি আপিলের নিষ্পত্তি হবে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ করবেন। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে।