বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত সকল শিক্ষক ও এমপিওভুক্ত শূন্য পদের তথ্য চেয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি কড়া বার্তা দিয়েছে যে, তথ্য পাঠাতে কোনো ধরনের ব্যত্যয় হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জাল সনদের খবর ও কর্তৃপক্ষের নজর সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এনটিআরসিএর জাল সনদের খবর কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এই প্রেক্ষাপটে জাল নিবন্ধন সনদ শনাক্তকরণের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্ত পদে কর্মরত নিবন্ধনধারী শিক্ষকদের সনদ যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে এনটিআরসিএ।
সাত কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য প্রেরণের নির্দেশ এনটিআরসিএর সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহ-প্রধানসহ এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষকের তথ্য, এমপিওভুক্ত শূন্য পদের তথ্য এবং নভেম্বর ২০২৫-এর এমপিও শিট—এই সবকিছুর সঙ্গে এমপিও পদে কর্মরত নিবন্ধনধারী সকল শিক্ষকের নিবন্ধন সনদসমূহের রঙিন বা স্পষ্ট ফটোকপি সত্যায়িত করে পাঠাতে হবে। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক স্বাক্ষরিত অগ্রায়ণপত্রসহ এই সমস্ত কাগজপত্র সাত কার্যদিবসের মধ্যে এনটিআরসিএ-তে পৌঁছানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আইনি ব্যবস্থার কড়া হুঁশিয়ারি চিঠিতে আরও বলা হয়, তথ্যাদি ও কাগজপত্রাদি পাঠাতে কোনো ধরনের ব্যত্যয় (যেমন: তথ্য গোপন করা, সনদপত্র টেম্পারিং করা, তথ্য প্রদানে বিরত থাকা ইত্যাদি) হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে বলেও কঠোরভাবে জানানো হয়েছে।