বিক্ষোভের কারণে নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি
ইরানে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ বর্তমানে তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর ফলে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সেদেশে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই উদ্বেগের ফলেই আন্তর্জাতিক মহলও ইরানে অবস্থানরত বিদেশিদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত।
জরুরী পরিস্থিতিতে সীমান্ত পারাপারের নির্দেশনা
মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার জন্য কিছু স্থল সীমান্ত খোলা রয়েছে বলে সতর্কবার্তায় জানানো হয়। এই সীমান্তগুলো ব্যবহার করে নাগরিকরা দেশ ত্যাগ করতে পারবেন।
১. আর্মেনিয়ার সঙ্গে সীমান্ত: আগারাক-নোরদুজ সীমান্ত খোলা রয়েছে। ২. তুরস্কের সঙ্গে সীমান্ত: গুরবুলাক-বাজারগান, কাপিকয়-রাজি ও এসেন্দেরে-সেরো সীমান্তগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে, তুর্কমেনিস্তানের সীমান্ত খোলা থাকলেও সেখানে প্রবেশের জন্য আগাম বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হবে। অন্যদিকে, আজারবাইজানে প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে।
যেসব সীমান্ত এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নাগরিকদের আফগানিস্তান, ইরাক অথবা পাকিস্তান-ইরান সীমান্ত দিয়ে ভ্রমণ পুরোপুরি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই অঞ্চলগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।