প্রথম ইনিংসে কেএল রাহুলের প্রতিরোধ টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ভারত। ওপেনারদের ধীর গতির পর শুভমান গিল ৫৬ রান করে ছন্দে ফেরার আভাস দিলেও, মিডল অর্ডারে দ্রুত উইকেট পতনে স্বাগতিকরা ১১৮ রানে ৪ উইকেট হারায়। এমন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন কেএল রাহুল। এক প্রান্ত আগলে রেখে তিনি শেষ দিকে দ্রুত গতিতে রান তোলেন এবং ১১২ রানে অপরাজিত থেকে ভারতকে ৫০ ওভারে ২৮৪/৭-এ পৌঁছে দেন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক বল হাতে ৩টি উইকেট নিয়ে সফল ছিলেন।
মিচেল-ইয়ং জুটির দাপট ২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি। ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও হেনরি নিকোলাস দ্রুত আউট হলে চাপে পড়ে কিউইরা। তবে তিন নম্বরে নামা ড্যারিল মিচেল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন। উইল ইয়ংয়ের সঙ্গে তার ১৬২ রানের জুটিতে ম্যাচটি পুরোপুরি নিউজিল্যান্ডের দিকে ঝুঁকে যায়।
ভারতের মাটিতে কিউইদের সর্বোচ্চ রান তাড়া উইল ইয়ং ৮৭ রান করে আউট হলেও ড্যারিল মিচেল থামেননি। তিনি ৯৬ বলে তার সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত ১১৭ বলে অপরাজিত ১৩১ রানের ইনিংস খেলেন। গ্লেন ফিলিপস ৩২ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন। ৪৭.৩ ওভারে ২৮৬ রান তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড, যা ভারতের মাটিতে তাদের সর্বোচ্চ সফল ওয়ানডে রান তাড়ার রেকর্ড।
সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণী শেষ ম্যাচে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের এই হারে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বিরাট চাপ সৃষ্টি হলো। তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেই এখন সিরিজের চূড়ান্ত ফল নির্ধারিত হবে।