ফেলোশিপের বিস্তারিত অনুদান
গত ১৩ জানুয়ারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফেরদৌস আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফেলোশিপপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী ৫৪ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান পাবেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যবিপ্রবির ১০টি বিভাগের ৫৬ জন শিক্ষার্থীকে মোট ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকার এই ফেলোশিপ দেওয়া হচ্ছে। এই অনুদান শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহিত করবে।
যেসব বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা নির্বাচিত
যবিপ্রবির যে ১০টি বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হয়েছেন, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স, অণুজীববিজ্ঞান, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, ফার্মেসি, পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত, কেমিকৌশল এবং ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন।
মনোনীত কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম
ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগ থেকে সাথী নন্দি, মারিয়া তাবাসসুম, মো. মমিনুল ইসলামসহ মোট ১২ জন। অণুজীববিজ্ঞানের সুমাইয়া খাতুন, মোছা. সুমাইয়া সুলতানা এনিসহ মোট ১০ জন। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির মো. হৃদয় হোসেন, তনিমা মাহমুদ ইমাসহ মোট ৮ জন। ফার্মেসি বিভাগ থেকে জ্যোতির্ময়ী রয়, কল্পা সরকারসহ ৭ জন। পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি থেকে সাদিয়া সুলতানা মিতু, রাজিয়া সুলতানাসহ ৬ জন। এছাড়া, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত, কেমিকৌশল এবং ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ থেকেও একাধিক শিক্ষার্থী এই ফেলোশিপ লাভ করছেন।
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপের প্রেক্ষাপট
গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সরকার ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে এই ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে। ভৌত বিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান, এবং খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান— এই তিনটি ক্যাটাগরিতে এমএস, এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই ফেলোশিপ দেওয়া হয়। একটি নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই এবং সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ফেলোশিপপ্রাপ্তদের নির্বাচন করা হয়।