বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) স্প্রিং ২০২৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে দিনব্যাপী জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণীয় ব্যক্তিবর্গ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলট। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিইউবিটি ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও বিইউবিটির অ্যাডভাইজার অধ্যাপক মো. আবু সালেহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিইউবিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী।
সফলতার মূলমন্ত্র: পাইলটের বক্তব্য
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ মাসুদ পাইলট শিক্ষার্থীদের জীবনে সফল হওয়ার জন্য কিছু মূলমন্ত্র দেন। তিনি বলেন, জীবনে সফল হতে হলে শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের বিকল্প নেই। তাঁর মতে, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকলে একজন শিক্ষার্থী মানসিকভাবে আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
গুরুত্বপূর্ণ সময় বিশ্ববিদ্যালয় জীবন
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. আবু সালেহ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই সময়টিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে একজন শিক্ষার্থী নিজেকে একজন যোগ্য ও আত্মনির্ভরশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।
বিশ্বমানের নাগরিক তৈরির লক্ষ্য
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী বিইউবিটির লক্ষ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'বিইউবিটি শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের জ্ঞান ও মূল্যবোধে গড়ে তুলে বিশ্ব নাগরিক হিসেবে প্রস্তুত করতে কাজ করে যাচ্ছে।' তিনি নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উষ্ণ অভিবাদন জানান এবং নবাগতদের নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।
দিনব্যাপী কর্মসূচি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা
নবীনবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে। এরপর বিইউবিটির রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর-রশিদ স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিনগণ নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। দুপুরে নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজ বিরতির পর বিকেলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনব্যাপী নবীন বরণ অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।