বিজয়ী প্রকল্প ও উদ্ভাবকদের পরিচিতি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিজয়ী দলগুলোর উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো ছিল বেশ বৈচিত্র্যময়। অ্যাগ্রিটেক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমির কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের দল ‘এপিব্রিয়াম’। তাঁদের উদ্ভাবিত প্রকল্পের নাম ‘গরু সেবা’, যার মাধ্যমে গরুর খামারে বিভিন্ন ধরনের স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) সেবা দেওয়া যায়। একই ক্যাটাগরিতে অপর বিজয়ী দল ‘জিঞ্জার’ তাদের ‘অ্যাগ্রিসেন্স’ প্রকল্পের মাধ্যমে এসএমএস ও ভয়েস কলের মাধ্যমে আবহাওয়া এবং মাটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করে। হেলথ টেক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে নিঞ্জা এআই। অন্যদিকে, ইডিটেক ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে বিজয়ী হয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘শিক্ষা এআই’ এবং রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিহা আকতারের ‘লার্নিফাই’।
পুরস্কার বিতরণী ও আয়োজকদের বক্তব্য ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থনের আয়োজক মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রতিটি দলকে সম্মাননা হিসেবে একটি করে ল্যাপটপ এবং ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান এবং ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান আবুবকর হানিফ।
উদ্ভাবকদের অনুপ্রেরণা অনুষ্ঠানে বক্তারা তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করে বক্তব্য রাখেন। ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান বলেন, মানুষের জীবনকাল সীমিত। এই সময়টিকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি তরুণদের জীবনে একটি লক্ষ্য স্থির করে তার প্রতি মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন, কারণ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে তা অবশ্যই অর্জিত হবে। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান আবুবকর হানিফ এই উদ্যোগটিকে সময়োপযোগী বলে প্রশংসা করেন এবং মিলিয়নএক্স বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ইনকিউবেশন সেন্টার রয়েছে, যেখানে বিজয়ীদের বিনিয়োগকারী পেতে সহযোগিতা করা হবে।