হামলা ও ঘটনার বিবরণ শুক্রবার রাতে চন্দনাইশের বদুরপাড়া এলাকায় গেজেটপ্রাপ্ত জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলা চালানো হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল লাঠি ও চাকু হাতে নিয়ে হঠাৎ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও তার সহযোগীদের ওপর আক্রমণ করে। হামলায় হাসনাত আব্দুল্লাহ গুরুতর আহত হন এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও দাবি এ ঘটনার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “আমি মনে করি, জুলাইযোদ্ধাদের জন্য এখন বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।” তিনি দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সাবেক এনসিপি প্রার্থী হাসান আলী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার অত্যন্ত কাছের ছোট ভাই, জুলাইয়ের আহত গেজেটপ্রাপ্ত বীর হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর চন্দনাইশ বদুরপাড়ায় সন্দেহভাজন স্বৈরাচারের দোসররা হামলা করেছে কিছুক্ষণ আগে। এই দৃশ্য আমি কোনোভাবেই স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছি না।” তিনি এই হামলার পেছনে স্বৈরাচার-সমর্থকদের হাত রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন।
পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত এ বিষয়ে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ খান জানান, হামলার খবর পাওয়ার পরপরই রাতেই তিনি আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান। ওসি আরও নিশ্চিত করেন যে, “এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ না পেলেও আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।” পুলিশ হামলাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে তিনি জানান।