মার্কিন দূতাবাসের নতুন বিজ্ঞপ্তি
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, 'F বা M ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা বন্ড প্রযোজ্য নয়। শুধুমাত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবসা বা পর্যটন (B1/B2) ভিসা আবেদনকারীদের বন্ড পরিশোধ করতে হবে।' এর আগে, গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্যবসা ও পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড কার্যকর হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
বন্ডের শর্ত ও টাকার পরিমাণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের (B1/B2) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত একটি ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসাবে), ১৫ হাজার মার্কিন ডলারের মূল্যমান বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। তবে, ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ B1/B2 ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
বন্ড পরিশোধের নিয়মাবলী
মার্কিন দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়েছে, আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করা উচিত নয়। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না এবং এক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটগুলো প্রতারণামূলক হতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। তবে, ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
যেসব দেশের জন্য বন্ডের শর্ত
৬ জানুয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট ৩৮টি দেশের নাগরিকদের অবশ্যই ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত দিতে হতে পারে। এই শর্ত কার্যকর করা হচ্ছে যাতে পর্যটকদের ভিসার অনুমোদিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান না করে।