গত বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে মুসলিমপ্রধান এসব দেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এ খবরটি জানিয়েছে।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এই বোর্ডে যোগ দিতে রাজি হয়েছেন। তবে রাশিয়া জানিয়েছে, তারা এখনও বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। পুতিন বলেন, এই উদ্যোগ মূলত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক এবং রাশিয়া এক বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিতে প্রস্তুত। প্রথমে এই বোর্ডকে গাজায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধ ও পুনর্গঠন তদারকির উদ্যোগ হিসেবে দেখা হলেও প্রস্তাবিত সনদে ফিলিস্তিনের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। এতে এই অঞ্চলে জাতিসংঘের ভূমিকা কমে যেতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।
সৌদি আরব জানিয়েছে, মুসলিম-প্রধান দেশগুলোর এই জোট গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, পুনর্গঠন এবং ন্যায়সঙ্গত শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে সমর্থন করছে।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে এই বোর্ডে যোগ দিয়েছে। তবে কানাডা ও যুক্তরাজ্য এখনও সিদ্ধান্ত জানায়নি। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইসরায়েলও এই জোটে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, স্লোভেনিয়া এই উদ্যোগে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
গাজা ইস্যুতে শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। যুদ্ধবিরতির পরও সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, সাম্প্রতিক হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।