গণভোটের প্রচার ও জনসম্পৃক্ততা
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণে আয়োজিত বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আলী রীয়াজ এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে সরকারের লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে বলেন, সরকার এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায়, যেখানে সব রাজনৈতিক দল আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। তাঁর মতে, 'জুলাই সনদ' সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দেবে।
বিভ্রান্তি নিরসনে সরকারের আহ্বান
গণভোট ঘিরে ছড়ানো বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'জুলাই সনদে বিসমিল্লাহ নেই, এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী'—এমন নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তবে বাস্তবতার উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক রক্তের বিনিময়ে নাগরিকদের ক্ষমতায়নের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই হেলায় হারানো উচিত হবে না। দেশের নাগরিকদের সচেতনভাবে এই সুযোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা পূরণে গণভোট
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার আরেক বিশেষ সহকারী মনির হায়দার গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মনির হায়দার গণভোটে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা এবং সচেতনতার সঙ্গে অংশগ্রহণের নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
উপস্থিত ছিলেন যারা
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ার উদ্দীন চৌধুরী, সিলেটের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুসসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।