রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু বে ভিউতে আয়োজিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক আলোচনায় এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, যদি পুরো সিস্টেম ডিজিটালাইজ করা হয় এবং যেখানে যেখানে ত্রুটি আছে সেগুলো সংশোধন করা হয়, তাহলে মানুষ ঘরে বসেই এনআইডি নিতে পারবে। ডিজিটালাইজেশন করলে দুর্নীতি এবং সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।
বর্তমান এনআইডি প্রক্রিয়ায় অনেক নাগরিককে ঝামেলা পোহাতে হয়। আমাদের সিস্টেমে যেখানে যেখানে ত্রুটি আছে সেগুলো ঠিক করতে হবে। নাগরিকরা যদি নিজেদের কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে ঘরে বসেই কাজটি করতে পারে, তাহলে পুরো প্রক্রিয়া সহজ ও ঝামেলামুক্ত হবে। এটি শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, আমাদের সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হিসেবে এনআইডি, পাসপোর্ট ও অন্যান্য সার্টিফিকেট দ্রুত এবং ঝামেলামুক্তভাবে প্রাপ্ত হওয়া উচিত। অনেক দেশে ইতোমধ্যেই ডিজিটাল ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে এবং বাংলাদেশেও তা করা সম্ভব।
পাহাড়ের এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সকলের অধিকার সমান। আপনি সমতলের না পাহাড়ের-কোনো পার্থক্য নেই।
যোগ্যতার ভিত্তিতে সকল সুযোগ পাওয়া উচিত। শিক্ষা, চাকরি এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধায় প্রত্যেক নাগরিকের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২৪ এর আন্দোলন শুরু হওয়ার সময় আমরা কোটা প্রথা বাতিল করেছি। কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে যেমন: ডিজেবল বা ভিন্ন ধরনের মানুষদের জন্য সংক্ষিপ্ত কোটা রাখা হয়েছে। বাকি ক্ষেত্রে সব সুযোগ-সুবিধা মেধার ভিত্তিতে পাওয়া উচিত।