কোরআনের হাফেজ পরিবারে নিয়ে আসেন অশেষ রহমত
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. আলী হুসাইন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, একজন কোরআনের হাফেজ পুরো পরিবারের জন্য আল্লাহর অশেষ রহমত ও বরকতের দরজা খুলে দেন। হাফেজকে কোরআনের হেফাজতকারী ও আল্লাহর বাণীর বাহক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কারণে কোরআনের হাফেজ যেমন মর্যাদাবান, তেমনি তার মা-বাবাও পান এক অনন্য মর্যাদা। পাগড়ি পাওয়া হাফেজরা দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে মা-বাবা ও প্রতিষ্ঠানের সম্মান বয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ছেলের হাফেজ হওয়া মায়ের ‘সর্বোচ্চ নেয়ামত’
পাগড়ি পাওয়া হাফেজ সাফায়েতের মা রিনা আক্তার তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, সন্তানের জন্মের আগেই তিনি ছেলেকে কোরআনে হাফেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার নিয়ত করেছিলেন। তবে হেফজখানায় দেওয়ার পর ছেলে বারবার থাকতে না পারার কথা বললেও তিনি সবসময় আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন যেন তার ছেলেকে আল্লাহ কোরআন হাফেজ হিসেবে কবুল করেন। তিনি আরও বলেন, আজ তার সেই স্বপ্ন পূরণ হলো এবং ছেলের মাথায় পাগড়ি পরিধানে মনে হচ্ছে মহান আল্লাহ তায়ালার সর্বোচ্চ নেয়ামতটাই তিনি পেয়েছেন। তিনি অন্য মা-বাবাদেরও মনোবল শক্ত ও ধৈর্য ধরে সন্তানকে কোরআনের হাফেজ হিসাবে তৈরি করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও অন্যান্য বক্তা
মাহমুদুল হক দাখিল মাদ্রাসা ও হাসিনা আক্তার হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি জয়নাল আবেদীন এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক্যাল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা বোরহান উদ্দিন। এছাড়াও মাওলানা ইব্রাহিম খলিল মাসুদ, হাফেজ মো. তাহের, মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন সুমন প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।