বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
আইন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন যারা সংসদ সদস্য হবেন ১২ তারিখে নির্বাচনের পরে, তাদের শপথ গ্রহণ করার কথা হচ্ছে স্পিকারের, স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। ওনারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে।
এখন আমাদের এখানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ, আরেকজন জেলে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এই অবস্থায় ওনাদের দ্বারা শপথ গ্রহণ করার কোনো স্কোপ আছে বলে আমি মনে করি না। আমাদের আইনে আছে ওনারা যদি শপথ গ্রহণ করাতে না পারেন তাহলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত অর্থাৎ প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করাবেন। তিন দিনের মধ্যে যদি এই শপথটা না হয় তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন। এখন এটা সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্ত, আমি আপনাদের চূড়ান্ত কিছু বলতে পারব না। তিনি বলেন, আমাদের সামনে দুটো অপশনই আছে। একটি হচ্ছে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করাতে পারেন।
ফর এক্সামপল যেমন হয়তো আমাদের প্রধান বিচারপতি হতে পারেন, আর যদি এটা না হয় তাহলে আমাদের যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন উনি শপথ গ্রহণ করাবেন। সে ক্ষেত্রে একটা সমস্যা আছে, তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আসলে অপেক্ষা করতে চাই না। আমরা নির্বাচন হওয়ার পরে যত দ্রুত সম্ভব শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে চাই। আমার এখানে সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আছেন, উনি আসবেন, ওনার সঙ্গে কথা বলব আইন নিয়ে।
তারপরে চূড়ান্ত পর্যায়ে আমি আমাদের প্রধান উপদেষ্টার অভিমত জানাবো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।