রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় সংগঠনটির সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও ইব্রাহিম খোকনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি আলোচনার বিষয়ে উপদেষ্টা এবং বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী রবিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বলেছেন, তারা এই সরকারের আমলে এনসিটি চুক্তি আর অগ্রগামী করবে না। এমনকি ডিপিওয়ার্ল্ড এই চুক্তির বিষয়ে সময় চেয়েছে। আমরা বলতে চাই, ডিপিওয়ার্ল্ড ও সরকার এই চুক্তি থেকে পুরোপুরি সরে আসুক। এ বিষয়ে আমরা দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য পরিচালনার জন্য রমজান ও জাতীয় নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ঘোষিত ধর্মঘটের কর্মসূচি স্থগিত করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে শাস্তিমূলকভাবে পাঁচ জন কর্মচারীকে গ্রেফতার করিয়েছে এবং মিথ্যা মামলা দিয়েছে। বন্দর, ডবলমুরিং ও আকবরশাহ থানায় জিডি করা হয়েছে। শাস্তিমূলক বদলি করা, দুদকে পত্র প্রেরণ করা এবং বরাদ্দকৃত বাসা বাতিল করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি, আমাদের ১৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এসব হয়রানিমূলক পদক্ষেপ বাতিল ও বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি। কর্তৃপক্ষের এমন স্বৈরাচারী মনোভাব কর্মসূচি স্থগিতের বিষয়ে অন্তরায়। এসব বিষয়ে সরকার এবং কর্তৃপক্ষ যত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে আমরা কর্মসূচি স্থগিতের বিষয়টি তত দ্রুত বিবেচনা করবো। এ অবস্থায় কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব আমিরাত ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপিওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদসহ চার দফা দাবিতে রবিবার সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এর আগে শনিবার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ধর্মঘট ডাকেন।