পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে ঘরমুখো মানুষের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, আজ ৭ মার্চ থেকে ১৭ মার্চের আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। এবারও যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে স্টেশনের কাউন্টারের পরিবর্তে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
টিকিট বিক্রির সময়সূচি রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন দুই ধাপে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। আজ সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইনে উন্মুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের সব ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের অগ্রিম টিকিট পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে।
যাত্রীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা একজন যাত্রী তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে সর্বোচ্চ একবার টিকিট কিনতে পারবেন এবং একটি আইডি থেকে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। তবে ঈদযাত্রার এই অগ্রিম টিকিট কোনোভাবেই রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য হবে না। এছাড়া যাত্রীদের বাড়তি চাপ সামলাতে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট’ (Standing Ticket) যাত্রার দিন প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইনে টিকিট কাটার পদ্ধতি যাত্রীরা মোবাইল অ্যাপ ‘রেল সেবা’ অথবা বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট কাটার ধাপগুলো হলো:
- লগইন ও তথ্য প্রদান: প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ভ্রমণের তারিখ, যাত্রার স্টেশন এবং গন্তব্য নির্বাচন করে ‘Find Ticket’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
- আসন নির্বাচন: পরবর্তী পেজে ট্রেনের তালিকা ও আসন খালি থাকার তথ্য দেখা যাবে। সেখান থেকে পছন্দের সিট নির্বাচন করে ‘Continue Purchase’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
- পেমেন্ট পদ্ধতি: টিকিটের মূল্য বিকাশ, ভিসা বা মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে। পেমেন্ট সফল হলে ই-টিকিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হবে এবং যাত্রীর ই-মেইলে একটি কপি পাঠানো হবে।
যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট স্টেশন থেকে এই ই-টিকিটটি প্রিন্ট করে এবং সঙ্গে একটি ফটো আইডি কার্ড নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।