এ হামলায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ‘সিজ্জিল’ নামক শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা দুই টন ওজনের ওয়ারহেড বা যুদ্ধাস্ত্র সজ্জিত ভারী ‘খোররামশাহর’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ‘খেইবার শেকান’, ‘কদর’ এবং ‘ইমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এ হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি কমান্ড সেন্টার, সামরিক অবকাঠামো ও সৈন্যদের অবস্থানগুলো।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ‘সিজ্জিল’ হলো একটি মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে তেল আবিবের দূরত্ব মাত্র সাত মিনিটে পাড়ি দিতে পারে।
এদিকে, কিছুক্ষণ আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে আসা আরেক দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করেছে।
আগের দফার হামলার খবর আসার দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এই নতুন হামলাটি চালানো হয়েছে।