• আন্তর্জাতিক
  • ইরানি তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন অর্থমন্ত্রী

ইরানি তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন অর্থমন্ত্রী

বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইরানের ওপর থাকা কড়াকড়ি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

আন্তর্জাতিক ১ মিনিট পড়া
ইরানি তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন অর্থমন্ত্রী

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সাগরে থাকা ইরানি তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তেলের বাজার স্বাভাবিক রাখতে ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিতে পারে। শুক্রবার (২০ মার্চ) ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে কৌশলগত অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে বাইডেন প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে সাগরে আটকে থাকা ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ শিথিলের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

বাজার স্থিতিশীল করার উদ্যোগ মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি ফক্স বিজনেসকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তাদের নিজস্ব তেলের মজুত থেকেও তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে পাশাপাশি ইরানি তেলের ওপর থাকা কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে তা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

হরমুজ প্রণালি ও তেলের ট্যাংকার চলতি সপ্তাহের শুরুতেই মার্কিন অর্থমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, মার্কিন প্রশাসনের অবগতিতেই বেশ কিছু ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি ছাড়তে শুরু করেছে। এই ঘটনাকে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার একটি প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মূলত পরোক্ষভাবে বিধিনিষেধ শিথিল করার একটি প্রক্রিয়া।

নিজস্ব মজুত ব্যবহারের পরিকল্পনা স্কট বেসেন্ট তার সাক্ষাৎকারে আরও উল্লেখ করেন, কেবল ইরানের তেলের ওপর নির্ভর না করে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিজস্ব ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ থেকেও তেল বাজারে অবমুক্ত করতে পারে। এটি আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমবর্ধমান তেলের দাম কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন অর্থমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের ওপর এর প্রভাব নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

Tags: sanctions fuel price usa scott bessent iran-oil global-energy-market