বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের গৌরবময়ক্ষণে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ভারতের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়েছে। ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এক বিশেষ বার্তায় বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।
ঐতিহাসিক বন্ধন ও অভিন্ন ঐতিহ্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তার বার্তায় উল্লেখ করেন যে, ভারত ও বাংলাদেশ কেবল প্রতিবেশী দেশই নয়, বরং এক অভিন্ন ইতিহাস, সুগভীর সাংস্কৃতিক সংযোগ এবং দীর্ঘস্থায়ী ভাষাগত ঐতিহ্যের বন্ধনে আবদ্ধ। এই মৌলিক ভিত্তিগুলোই দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্বকে শক্তিশালী ও অর্থবহ করে তুলেছে।
উন্নয়ন ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা শুভেচ্ছা বার্তায় দুই দেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, বিগত বছরগুলোতে ভারত ও বাংলাদেশ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা (কানেক্টিভিটি), বাণিজ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই সহযোগিতার সুফল সরাসরি উভয় দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
বন্ধুত্বের অঙ্গীকার দ্রৌপদী মুর্মু তার বার্তায় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি ভারতের অটুট বন্ধুত্বের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা করেন। এই শুভেচ্ছা বার্তাটি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের গভীরতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটি প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।