দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পর ফুটবলপ্রেমীরা আবার উপভোগ করতে যাচ্ছেন ব্রাজিল বনাম ফ্রান্সের ধ্রুপদী লড়াই। সর্বশেষ ২০১৫ সালে এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে ব্রাজিল ৩-১ ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল। তবে পরিসংখ্যানের বিচারে এখন পর্যন্ত কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ফ্রান্স।
মর্যাদার লড়াই ও কোচদের ভাবনা ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম এই ম্যাচটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার মতে, ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলা সবসময়ই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা। দেশম বলেন, "এমন সুযোগ বারবার আসে না এবং দর্শকদের কাছেও এই ম্যাচের গুরুত্ব ভিন্ন রকম।" অন্যদিকে, ব্রাজিলের ডাগআউটে থাকা আনচেলত্তিকে সামলাতে হচ্ছে নেইমারকে ঘিরে নানা প্রশ্ন। আনচেলত্তি জানিয়েছেন, তিনি সবকিছু পর্যবেক্ষণ করেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং বিশ্বকাপের আগে প্রতিটি ম্যাচই তাদের জন্য প্রস্তুতির বড় প্ল্যাটফর্ম।
পরিসংখ্যান ও অতীত ইতিহাস ব্রাজিল ও ফ্রান্স এ পর্যন্ত ১২টি ম্যাচে একে অপরের মোকাবিলা করেছে। এর মধ্যে ৫টিতে জয় পেয়েছে ফ্রান্স, আর ৪টি ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সেলেসাওরা। বাকি ৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। পরিসংখ্যানের হিসেবে ফ্রান্স সামান্য এগিয়ে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে ফেবারিট বেছে নেওয়া কঠিন।
নজরে থাকবেন ভিনিসিয়ুস ও এমবাপ্পে ব্রাজিলের হয়ে আক্রমণের নেতৃত্বে থাকবেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের ফর্ম ধরে রাখতে মরিয়া এই ফরোয়ার্ড মনে করেন, একটি জয় পুরো দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে। অন্যদিকে, ফ্রান্সের হয়ে বরাবরের মতোই মূল আকর্ষণ কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচটি কখন এবং কোথায় দেখবেন? বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, ম্যাচটি শুরু হবে রাত ২টায়। বোস্টনের মাঠে দুই দলের এই দ্বৈরথটি সরাসরি সম্প্রচারিত হবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্পোর্টস চ্যানেল এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে।
এক নজরে দুদলের সম্ভাব্য স্কোয়াড
ব্রাজিল: এডারসন, মারকুইনহোস, দানিলো, ক্যাসেমিরো, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহা এবং এন্দ্রিকেসহ আরও অনেকে।
ফ্রান্স: মাইক ম্যাইগনান, উপামেকানো, থিও হার্নান্দেজ, অরলিয়ে চুয়ামেনি, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং উসমান দেম্বেলের মতো তারকারা।