• ব্যবসায়
  • জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩ লাখ টন ডিজেল কেনার নীতিগত অনুমোদন

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩ লাখ টন ডিজেল কেনার নীতিগত অনুমোদন

অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত।

ব্যবসায় ১ মিনিট পড়া
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩ লাখ টন ডিজেল কেনার নীতিগত অনুমোদন

দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৩ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সরকারি ছুটির দিনে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বড় ধরনের আমদানির পথে হাঁটছে সরকার। অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে মোট ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

জরুরি ভার্চুয়াল সভা ও সভাপতিত্ব অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই বিশেষ ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং দ্রুত আমদানির বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।

যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেনা হচ্ছে অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই ডিজেল সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ‘এপি এনার্জি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড’-এর কাছ থেকে এক লাখ টন ডিজেল কেনা হবে। বাকি দুই লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করবে ‘সুপারস্টার ইন্টারন্যাশনাল (গ্রুপ) লিমিটেড’।

কেন এই দ্রুত সিদ্ধান্ত? বৈশ্বিক অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য চাপের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশের বাজারে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দ্রুত এই ডিজেল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই মুহূর্তের প্রধান অগ্রাধিকার।

সরবরাহ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অর্থ মন্ত্রণালয় তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই ডিজেল আমদানির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পরিবহন খাতে জ্বালানির সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন থাকবে। বিশেষ করে কৃষি মৌসুমে সেচ কাজের জন্য ডিজেলের বর্ধিত চাহিদা পূরণে এই আমদানি বড় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tags: bangladesh business news energy crisis ministry-of-finance diesel import fuel security