• দেশজুড়ে
  • পলাশবাড়ীতে অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্যের বাসা থেকে গৃহবধুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার! লাশের পাশ থেকেই কাটা পুরুষ লিঙ্গ উদ্ধার!

পলাশবাড়ীতে অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্যের বাসা থেকে গৃহবধুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার! লাশের পাশ থেকেই কাটা পুরুষ লিঙ্গ উদ্ধার!

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
পলাশবাড়ীতে অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্যের বাসা থেকে গৃহবধুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার! লাশের পাশ থেকেই কাটা পুরুষ লিঙ্গ উদ্ধার!

পলাশবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি - আরিয়ান রাকিব :

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য মোস্তাফিজার রহমানের বাসা থেকে কবিতা (২৫) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ। এসময় লাশের পাশে পড়ে থাকা অবস্থায় কর্তনকৃত একটি পুরুষ লিঙ্গ ও উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে ২৮ মার্চ শনিবার রাতে পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউপির পারআমলাগাছী গ্রামে।

নিহত কবিতা বেগম (২৫) সাদুল্লাপুর উপজেলার খোদ্দ কোমরপুর ইউনিয়নের বড় গোপালপুর গ্রামের বকু মিয়ার মেয়ে ও একই উপজেলার ঈদিলপুর ইউনিয়নের চকভগবানপুর গ্রামের হারুন মিয়ার স্ত্রী।।

বেতকাপা ইউপি সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আতোয়ারা বেগম জানান দীর্ঘ দিন থেকে স্বামী হারুনের সাথে সবিতা ১০/১২ বছরের হানিফ নামের একটি ছেলে সন্তান নিয়ে পারআমলাগাছী গ্রামে অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য মোস্তাফিজারের বাসায় ভাড়া থাকতেন।

স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলমান থাকা কালীন কয়েকদিন পুর্বে কবিতা তার ১০/১২ বছরের সন্তান হানিফকে নিয়ে বাবার বাড়ী সাদুল্লাপুর উপজেলার বড় গোপালপুর গ্রামে অবস্থান করছিলেন।

এরইধারাবাহিকতায় কবিতার স্বামী হারুন গত ২৭ মার্চ শুক্রবার রাত ৯ টার দিলে তার বোন এবং ভগ্নপতি কে সাথে নিয়ে শশুর বাড়ী বড় গোপালপুর থেকে পরিকল্পিত ভাবে স্ত্রী কবিতা নিয়ে পুর্ব নির্ধারিত ভাড়া বাসায় আসেন।কৌশলে একমাত্র সন্তান হানিফকে নানা বাড়ীতে রেখে আসেন।

শনিবার সকালে স্থানীয়রা ওই বাসার একটি কক্ষে বিছানার ওপর কবিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এবং একই সময় বাড়ির উঠানে একটি কাটা পুরুঅঙ্গ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

তিনি আরো জানান পরকিয়া নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মাঝে প্রায়ই পারিবারিক দ্বন্দ্ব কলহ লেগেই থাকতো।হত্যাকান্ডের পর থেকে স্বামী হারুন, তার বোন ও ভগ্নিপতি পালাতক রয়েছে।

বেতকাপা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা জানান,নিহতের স্বামী হারুনের আপন ছোট ভাই আনারুলের সাথে তার স্ত্রী কবিতা বেগমের পরকিয়া চলছিলো।এই নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মাঝে দ্বন্দ্ব কলহ লেগেই থাকতো।তবে আনারুল বর্তমান শারীরিক ভাবে সুস্থ রয়েছেন।ফলে পুরুসঙ্গটি কার তা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে হারুনের ছোট ভাই আনারুলের স্ত্রী পাশাপাশি বাসায় ভাড়া থাকায় স্বামী আনারুলের পরকিয়ার বিষয়টি আগে থেকেই জানতো। শুক্রবার তিনি ঢোলভাঙ্গা অবস্থান করছিলেন এসময় কতিপয় যুবক তাকে আটকে রেখে মোবাইল ফোনসহ মুল্যবান জিনিস পত্র ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ও ঘটেছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা জানান। ঘটনার পর থেকে আনারুলের স্ত্রী ও পালাতক রয়েছে।

পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সরওয়ারে আলম খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।পুলিশ ও সিআইডি লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

নিহত কবিতার স্বামী হারনসহ হত্যাকান্ডে সন্দেহভাজন অনেকে পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যাপারে নিহত কবিতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানাযায়।