• দেশজুড়ে
  • গাজীপুরে ৮১ শতাংশ পাম্প খোলা, বাস্তবে চিত্র ভিন্ন

গাজীপুরে ৮১ শতাংশ পাম্প খোলা, বাস্তবে চিত্র ভিন্ন

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
গাজীপুরে ৮১ শতাংশ পাম্প খোলা, বাস্তবে চিত্র ভিন্ন

গাজীপুরে গণপরিবহনে তেল পেতে চুরি ও মজুদ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ শুরু করছেন। প্রশাসনের কঠিন তদারকির মধ্যেও পাম্পে তেলের সংকট কাটছে না।

সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস থাকলেও মাঠ পর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, গাজীপুরের ৮৬টি পাম্পের মধ্যে ৭০টি পাম্প খোলা রয়েছে।

সে হিসাবে ৮১ শতাংশ পাম্প খোলা থাকার কথা, যার বাস্তবতা ভিন্ন। শনিবার (২৮ মার্চ) গাজীপুর সদর, টঙ্গী ও কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে তথ্যের সত্যতা মিলেছে।

জানা গেছে, অনেক পাম্পে তেল না থাকায় বন্ধ রাখতে হচ্ছে কার্যক্রম, আবার কোথাও সীমিত আকারে দেওয়া হচ্ছে জ্বালানি। এতে রাইড শেয়ারিং চালকসহ পেশাদার চালকদের জীবিকায় পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব।

যদিও সরকার বলছে জ্বালানির মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক, তবে বাস্তব পরিস্থিতি সামাল দিতে তদারকি জোরদার এবং প্রতিটি পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরেজমিন দেখা গেছে, জেলার অধিকাংশ তেলের পাম্প বন্ধ। কিছু কিছু পাম্পে বিচ্ছিন্নভাবে গণপরিবহন তেলের অপেক্ষায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কোন পাম্পে তেল দিচ্ছে সেই খবর সংগ্রহ এখন পরিবহন মালিকদের প্রধান কাজ।

কোথাও কোথাও নেতাদের ফোনেও তেল পাওয়ার তথ্য আসছে।

কালীগঞ্জের আজমতপুরে মেসার্স জারিফ ফুয়েল স্টেশনে বেশ কিছু মোটরসাইকেল চালক তেলের অপেক্ষায় আছেন। এক মোটরসাইকেলের মালিক মাসুম মিয়া জানান, তেল এলে পাম্পে যাবেন।

তিনি বলেন, ‘বাইকে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় সকাল থেকে পাম্পে বসে আছি। অন্য কোথাও তেলের জন্য যাওয়ার উপায় নেই। ’ স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার রাতে বেশ কয়েকটি পাম্পে তেল দেওয়ার খবরে বিভিন্ন পাম্পে উপচে পড়া ভিড় ছিল। তেল না পেয়ে গাড়ির চালকেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে জানতে চায়, কোন পাম্পে তেল দেওয়া হয় একটু জানান।

জেলা প্রশাসনরে প্রাপ্ত তথ্য মতে, গাজীপুর জেলায় ৮৬টি তেলের পাম্পের মধ্যে টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা এলাকায় ১৩টি ও কালীগঞ্জে ৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। টঙ্গী ও কালিগঞ্জের মোট ২১টি তেলের পাম্পের মধ্যে তিনটি পাম্পে হঠাৎ হঠাৎ তেল আসে। বাকি পাম্পগুলো তেল দিতে পারছে না।

প্রশাসন ও মাঠের পরিস্থিতি বলছে, গাজীপুরে নিবন্ধিত ৮৬টি পাম্পের মধ্যে ৭০টি পাম্প খোলা বলছে প্রশাসন। সে হিসেবে ৮১ শতাংশ পাম্প খোলা থাকার কথা যা বাস্তবে উল্টো চিত্র।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অনিয়ম ধরতে পাম্পগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে।’

Tags: গাজীপুর শতাংশ পাম্প খোলা বাস্তবে চিত্র ভিন্ন