• রাজনীতি
  • রাজধানীর ধানমন্ডিতে ফের বাসে আগুন, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় নাশকতার জোরালো সন্দেহ

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ফের বাসে আগুন, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় নাশকতার জোরালো সন্দেহ

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
 রাজধানীর  ধানমন্ডিতে ফের বাসে আগুন, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় নাশকতার জোরালো সন্দেহ

ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে আগুন লাগার মুহূর্তে সাত-আটজন তরুণের দৌড়ে পালানোর দৃশ্য ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ধানমন্ডিতে আবারও একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ধানমন্ডি ল্যাবএইড বিশেষায়িত হাসপাতালের ঠিক সামনে শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাসে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বাসটিকে গ্রাস করে ফেলে, যা এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট। তাদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে তার আগেই বাসটি পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় নাশকতার ইঙ্গিত

ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত নাশকতা, তা নিয়ে তীব্র ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানাতে না পারলেও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নাশকতার দিকেই জোরালোভাবে ইঙ্গিত করছে।

ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন, বাসটি পার্ক করা অবস্থায় ছিল। হঠাৎ তারা দেখেন, সাত থেকে আটজন তরুণের একটি দল বাসের পাশ দিয়ে দ্রুত হেঁটে চলে যায়। এর ঠিক পরপরই বাসটিতে আগুন জ্বলে ওঠে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। তরুণদের আকস্মিক উপস্থিতি এবং তার পরপরই অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি পরিকল্পিত নাশকতা বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তবে ওই তরুণদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আমাদের কাছে খবর আসে যে ধানমন্ডি ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে একটি বাসে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।"

বাসটিতে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ কী, এবং ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো যাত্রী ছিল কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। রাজধানীর মতো একটি সুরক্ষিত এলাকার প্রধান সড়কের ওপর এমন ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।