• রাজনীতি
  • “বিএনপির প্রতিটি সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে সামনে রেখেই নেওয়া হয়” – যুবদল নেতা আইয়ুব খান

“বিএনপির প্রতিটি সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে সামনে রেখেই নেওয়া হয়” – যুবদল নেতা আইয়ুব খান

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
“বিএনপির প্রতিটি সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে সামনে রেখেই নেওয়া হয়” – যুবদল নেতা আইয়ুব খান

'৩১ দফা বাস্তবায়ন ও ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করাই অঙ্গীকার'— নেতাকর্মীদের প্রতি ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত দেশ ও দলের বৃহত্তর স্বার্থকে (National and Party Interest) সামনে রেখেই গ্রহণ করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব খান। তিনি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে (Unitedly) মাঠে কাজ করার জন্য কঠোর আহ্বান জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে সাভারের আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার বাগানবাড়িতে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। সভাটির মূল উদ্দেশ্য ছিল '৩১ দফা বাস্তবায়ন ও ধানের শীষের পক্ষে জনসচেতনতা সৃষ্টি' (Public Awareness Campaign)।

নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও ঐক্যের বার্তা

যুবদল সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব খান বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি আদর্শভিত্তিক ও গণমানুষের সংগঠন। বড় দলের সিদ্ধান্তগুলোও বড় লক্ষ্যকে সামনে রেখে নেওয়া হয়। তাই দলের প্রতি শ্রদ্ধা, নেতৃত্বের প্রতি আস্থা এবং পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখাই আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব।”

তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, দল চূড়ান্তভাবে যাকে মনোনয়ন (Candidature) দেবে, তাঁর পক্ষেই ‘জান-প্রাণ দিয়ে’ কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করাই এখন আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।”

রাজনীতি মানে ধৈর্য, সংগঠন ও বিশ্বাস

রাজনীতিকে কেবল বক্তব্য বা ব্যানার প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে উৎসাহিত করেন আইয়ুব খান। তিনি বলেন, “রাজনীতি হলো ধৈর্য (Patience), সংগঠন (Organization), বিশ্বাস (Trust) এবং সময়ের সঠিক ব্যবহারের শিক্ষা।”

যুবদলের এই নেতা আরও উল্লেখ করেন, “আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগে অনুপ্রাণিত এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারই (Restoration of Rights) আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।”

নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে তিনি বলেন, “আজ যদি আমরা থেমে যাই, তবে মাঠ ফাঁকা হয়ে যাবে, মানুষের ভরসা হারিয়ে যাবে। কিন্তু আমরা যদি ঐক্য ধরে রাখি এবং ‘৩১ দফা’ অন্তরে ধারণ করি, তাহলে সময় ও জনগণ— উভয়ই আমাদের পাশে থাকবে।” তিনি জোর দেন যে, ভালোবাসার দলেই বিশ্বাস, সম্মান আর আশা থাকে।

যুবদলের অঙ্গীকার: গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার

আলোচনা সভায় উপস্থিত যুবদলের অন্যান্য নেতারাও তাঁদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তাঁরা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার (Restoring Democracy) ও সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার (Voting Rights) ফিরিয়ে আনতে যুবদল সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তাঁরা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, দলীয় শৃঙ্খলা (Party Discipline) ও নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য রেখে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা হবে।

আলোচনা সভায় স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যের শেষাংশে মোহাম্মদ আইয়ুব খান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি, জনগণই আমাদের শক্তি। এই শক্তি যদি আমাদের সঙ্গে থাকে, তবে বিজয় শুধু সময়ের অপেক্ষা।”