• রাজনীতি
  • ‘প্রশাসনকে জনগণের পাশে থাকতে হবে’: রাজনৈতিক অস্থিরতায় ন্যায় ও সত্যের পথে থাকার আহ্বান গয়েশ্বরের

‘প্রশাসনকে জনগণের পাশে থাকতে হবে’: রাজনৈতিক অস্থিরতায় ন্যায় ও সত্যের পথে থাকার আহ্বান গয়েশ্বরের

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
‘প্রশাসনকে জনগণের পাশে থাকতে হবে’: রাজনৈতিক অস্থিরতায় ন্যায় ও সত্যের পথে থাকার আহ্বান গয়েশ্বরের

কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীনবরণ: নির্বাচিত নির্বাচনের আগেই শহীদ মিনার নির্মাণের ঘোষণা বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্যের।

রাজনৈতিক অস্থিরতা: প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অনিশ্চয়তার সময়ে প্রশাসনের (Administration) ভূমিকাকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রশাসন নিশ্চুপ বসে থাকতে পারে না। “জনগণের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব ও লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আমবাগিচায় কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীনবরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনগণের পক্ষে থেকে ন্যায় ও সত্যের পথে কাজ করলে প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসবে। একটি নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল প্রশাসনই পারে দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তি পুনর্গঠন করতে।” তিনি সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান, যাতে অনেক রক্তের বিনিময়ে পাওয়া ‘সূর্যের আলো’ অন্ধকারে নিমজ্জিত না হয়।

নারীর ক্ষমতায়ন ও শহীদ মিনার নির্মাণ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব এবং নারীর ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “স্বাধীন ও স্বাবলম্বী নারীর চেতনায় জেগে উঠবে আগামী প্রজন্মের বাংলাদেশ। আধুনিক শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে আমরা বৈষম্যহীন একটি সমাজ গড়তে চাই।”

তিনি দেশপ্রেম ও মুক্তচেতনায় তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগেই এ কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, “কেরানীগঞ্জ বিএনপি জনগণের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানবিকতা, ন্যায়বোধ ও দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে। শিক্ষা ও নারী জাগরণই হচ্ছে প্রকৃত স্বাধীনতার পথ।”