গণকবর ও ফরেনসিক কার্যক্রমের সূচনা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের (July Mass Uprising) সময় সংঘটিত নৃশংসতার শিকার হয়ে নিহতদের মধ্যে যারা বেওয়ারিশ হিসেবে রাজধানীর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে গণকবরে (Mass Grave) শায়িত রয়েছেন, তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা (Advisor for Local Government) আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া জানিয়েছেন, এই শহীদদের পরিচয় শনাক্ত করতে আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দল (International Forensic Expert Team) বাংলাদেশে আসছেন।
সময়সূচি ও কর্মপরিকল্পনা
গত রবিবার রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থান জিয়ারতের পর এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এই তথ্য দেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দলটি আগামী ৫ ডিসেম্বর দেশে আসবে এবং ৭ ডিসেম্বর থেকে তাদের শনাক্তকরণ কাজ শুরু করবে।
উপদেষ্টা বলেন, "রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবরের ফরেনসিকের মাধ্যমে শনাক্তকরণ (Forensic Identification) শুরু হবে আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে।" তিনি আরও জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফরেনসিক এক্সপার্টদের (National and International Forensic Experts) মাধ্যমে রায়েরবাজারে একটি অস্থায়ী মর্গ (Temporary Morgue) ও ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
সরকারের অঙ্গীকার: সকল শহীদের পরিচয় শনাক্তকরণ
এই কার্যক্রমের মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া সকলের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আশাবাদী। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, সরকার সফলভাবে শহীদদের পরিচয় নিশ্চিত করবে এবং তাদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদদের তালিকায় (List of Martyrs) যুক্ত করবে। এই আন্তর্জাতিক পদক্ষেপটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি সরকারের সম্মান প্রদর্শন এবং ঐতিহাসিক সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া বলে মনে করা হচ্ছে।