আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম-এর সহধর্মিণী সাবরিনা বিনতে আহমেদ (শুভ্রা) পুরোদমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রার্থীর অনুপস্থিতিতে শুভ্রা একাই চষে বেড়াচ্ছেন এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চল।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী তিনি মুকসুদপুর উপজেলার বনোগ্রাম ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে নিবিড়ভাবে নির্বাচনী প্রচার চালান।
গ্রামে গ্রামে নিবিড় প্রচার ও প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে শুভ্রা গ্রামাঞ্চলের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারী, পুরুষ এবং বৃদ্ধ ভোটারদের কাছে দলের লিফলেট (Leaflet) বিতরণ করেন। এই নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে (Campaign) তিনি স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সমস্যার খোঁজখবর নেন এবং সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের সার্বিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের (Improvement of Lifestyle) জন্য বিএনপির উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনা (Development Action Plan) তুলে ধরেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। নির্বাচনী প্রচারের এই ধারা স্থানীয় রাজনীতিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
শ্রীশ্রী কালীগঙ্গা মন্দিরে সংহতি বার্তা
বিকেলে সাবরিনা বিনতে আহমেদ (শুভ্রা) বনোগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীশ্রী মহাতীর্থ কালীগঙ্গা মন্দিরে সমবেত হয়ে এক আলোচনা সভায় অংশ নেন। মন্দিরে পৌঁছালে শ্রীশ্রী মহাতীর্থ কালীগঙ্গা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সনজিত বালা, সহসভাপতি সুভাষ কির্তনিয়া, খিতিষ মল্লিকসহ মন্দির কমিটি তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেয়।
আলোচনা সভায় ও ভোটারদের উদ্দেশে শুভ্রা বলেন, "আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে আমরা আপনাদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকব।" এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (Minority Community) পাশে থাকার বিষয়ে দলের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (Communal Harmony) রক্ষার বার্তা দেন। প্রার্থীর স্ত্রীর এই উদ্যোগটি ভোটারদের মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
নির্বাচনী প্রচারে শুভ্রার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের গোপালগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব ননী গোপাল মণ্ডল, উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রূপলতা মণ্ডলসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। প্রার্থীর স্ত্রীর এই সক্রিয় নির্বাচনী অংশগ্রহণ তৃণমূল পর্যায়ে দলের শূন্যতা পূরণে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে।