• রাজনীতি
  • ওসমান হাদির হত্যাকারী কারা সেটা না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে নির্বাচন দিয়ে চলে যাবেন এটা হবে না।

ওসমান হাদির হত্যাকারী কারা সেটা না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে নির্বাচন দিয়ে চলে যাবেন এটা হবে না।

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
ওসমান হাদির হত্যাকারী কারা সেটা না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে নির্বাচন দিয়ে চলে যাবেন এটা হবে না।

নির্বাচনে আগে বিচার নিশ্চিত করতে হবে, এর আগে কোনো নির্বাচন হবে না বলে অন্তর্বর্তী সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে ডাকা সংবাদ সম্মেলন থেকে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশ্যে জাবের বলেন, ‘আপনি বলেছেন, আপনি শরিফ ওসমান হাদিকে ধারণ করেন। কিন্তু একবারের জন্যও জানাজার ময়দানে আপনি বলেননি, এই খুনের বিচারের ব্যাপারে আপনি কী করবেন। এত বড় একটা হত্যাকাণ্ড হলো, এর বিচারের জন্য আপনি কি কি পদক্ষেপ নেবেন সেটা আপনার মুখ থেকে শুনতে পারিনি। আপনার যে অসহায়ত্ব আমরা সেটা দেখতে পেয়েছি। সেটা কীসের জন্য আমরা তা জানতে চাই। আপনাকে কে অসহায় করে তুলল সেটা জানতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ শুধু রক্ত দিয়ে যাবে সেটা শেষ। এখন থেকে রক্ত দেব না। যারা আমার ভাইকে হত্যা করছে, তাদের বের করার দায়িত্ব পালন করতে না পারলে বাংলাদেশের জনগণ কিন্তু রক্ত নেওয়া শুরু করে দেবে। রক্তপাত একবার শুরু হয়ে গেলে আপনারা কিন্তু সেটা থামাতে পারবেন না। আপনাদের হুঁশিয়ারি করে বলতে চাই, ওসমান হাদির হত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করেন।’

নির্বাচনের আগে হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে বাংলাদেশের হৃদয়ে ওসমান হাদি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট সড়কে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।